WBOthers 

একনজরে বাজেট

বিজেপির নবগঠিত সরকারের প্রথম বাজেট পেশ। চলুন চোখ রাখি বঙ্গ বাজেটে। পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য মোট ৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন বাজেটে । কৃষিতে ৮,৫৬৫.৮৪ কোটি টাকা, কৃষি বিপণনে ৩৬৮.৯৯ কোটি টাকা, প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ১,৪০৪.৪২ কোটি টাকা, অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়নে ২,৫৪৪.৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ। সুন্দরবন বিষয়ক কাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১,২৮০.০৭ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বরাদ্দ হয়েছে ১,৮২১.৫২ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বরাদ্দ হয়েছে ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নে ৫১,৮৩৬.৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শিল্প বাণিজ্য এবং শিল্পোদ্যোগে বরাদ্দ ৩,২৬৬.৫৯ কোটি টাকা।

জরুরি পরিষেবার জন্য প্রতিটি থানায় একটি করে গাড়ি চালু করা হবে। বরাদ্দ ১০০ কোটি টাকা। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আরও স্বচ্ছ ও সহজ। ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ। বন্যা প্রতিরোধ এবং পুনর্বাসনের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ । অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের স্কুলছুটের হার কমাতে নতুন প্রকল্প । সরকারি ও সরকারপোষিত কলেজে অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বরাদ্দ ১০০০ কোটি টাকা। প্রসূতিদের উন্নত পুষ্টির জন্য সাহায্য-সহ ২১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ঝাড়গ্রামে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় গড়া হবে। ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ । ১২৫ দিনের কাজের জন্য রাজ্য সরকারের ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। আবাস যোজনা (গ্রামীণ)-এর জন্য ১৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ।

রাজ্যে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ হবে। নতুন নিয়োগের ৩৩ শতাংশ পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। এই শূন্যপদের মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ বিভাগে, ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী। বিভিন্ন সরকারি অফিসের শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ৫ বছর ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়েছিল পূর্বেই। এই সুবিধা পরবর্তী ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে। এত দিন পর্যন্ত সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন। নতুন ঘোষণা কার্যকর হওয়ার পর বর্ধিত হারে সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ ডিএ পাবেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ঘোষণার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ২২ শতাংশ।

হুগলি-ভাগীরথী নদীর উপর জেটি উন্নয়ন, জেটি ও গ্রামীণ বাজারের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। সুন্দরবনে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে ১০০ কোটি বরাদ্দ। বিদ্যুৎ পরিষেবা উন্নত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ । সরকারি অফিসগুলিতে সৌরশক্তির গ্রিড বসানো হবে। ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। মুড়িগঙ্গায় সেতু নির্মাণে ১০০ কোটি বরাদ্দ। আদর্শ স্কুল গঠনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২১০০ কোটি টাকা।

মদের দোকান নিয়ে কড়াকড়ি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকানের লাইসেন্স নয় । কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব হবে ৫০০ মিটার। দুর্গাপুজোকে ঘিরে পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান। ব্যবসাকে সিন্ডিকেট-মুক্ত করতে আইন। বয়স্ক-বিধবাদের ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি। বয়স্ক, বিধবা এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা। বিনামূল্যে বাস পরিষেবায় বরাদ্দ ৫৫০ কোটি । অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি। ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা।

বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ কোটি টাকা। ২১ থেকে ৪৫ বছর বয়সি যোগ্য-শিক্ষিত বেকার যুবকদের মাসিক ভাতা দেওয়ার জন্য অক্টোবর থেকে ভরসা কর্মসূচি চালু হবে। এই প্রকল্পে স্নাতক বেকারদের জন্য মাসে ৩০০০ টাকা এবং অন্যদের মাসে ২০০০ টাকা ভাতা । এক্ষেত্রে পরিবারের আয় মাসিক এক লক্ষ টাকার কম, যাঁরা অন্য কোনও সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পান না তাঁদের জন্য প্রযোজ্য । এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের মোট ঋণের পরিমাণ ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা।

Related posts

Leave a Comment